সিলেটে অস্থির পেঁয়াজের বাজার


ডেস্ক রিপোর্ট : সিলেটে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। হঠাৎ পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা। তবে শীতকালীন শাক-সবজিতে বাজার ভরপুর থাকায় দাম নাগালের মধ্যেই। 

শনিবার (৮ জানুয়ারি) সিলেটের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ১৫-২০ টাকা। গত সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজ ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও এখন তা ১৫ টাকা বেড়ে ৪৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ভারতীয় পেঁয়াজ গত সপ্তাহে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০-৫৫ টাকায়। এছাড়া চালের দাম কেজিতে দুই টাকা বেড়েছে। 

বাজারে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দামও। প্রতি কেজি ব্রয়লার গত সপ্তাহে ১৬৫-১৭০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়ে ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

নগরের মদিনা মার্কেট এলাকার মুরগি ব্যবসায়ী মঈনুর মিয়া জানান, কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্রয়লার মুরগি দাম বাড়ছেই। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকায় দাম বাড়ছে বলে জানান তিনি। 

মঈনুর বলেন, পাকিস্তানি লাল মোরগ প্রতি পিছ ৩৫০-৪০০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিছ মাঝারি আকারের দেশি মোরগ বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০টাকা দরে। 

বাজারে আসা একটি বেসরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, পেঁয়াজ, চাল, তেল, মুরগিসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের বেড়েই চলেছে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে সীমিত আয়ের লোকজনদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হবে। 

বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে নবাবরোড এলাকার ব্যবসায়ী তালেব হোসেন বলেন, বাজারে পেঁয়াজের মজুদ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। সিলেটের কালিঘাটে পাইকারি বাজারে দাম বাড়লে, স্বাভাবিকভাবে খুচরাবাজারেও দাম বাড়ে। 

নগরের মেডিকেল রোডের লির্বাটি সুপার শপের মালিক আলমগীর হোসেন জানান, সিলেটে কোম্পানিভেদে সয়াবিন তেল লিটারপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৫৫-১৬০ টাকায়। পাম অয়েল বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। এছাড়া মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ টাকায়। মিনিকেট ও নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৭০ টাকা কেজিতে। 

এছাড়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি আলু ২০, টমেটো ৪০, কাঁচা মরিচ ৬০, বেগুন ৩৫, ফুলকপি ৪০, বাঁধাকপি ৩০, মুলা ৩০, পেঁপে ২০, শিম ৩৫, গাজর ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 

সবজির দাম কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও মাছ-মাংসের বাজার অস্থির। চিংড়ি মাঝারি ৭০০ টাকা, রুই ২৮০-৩৫০, কাতল ২৭০-২৮০, গ্রাস কার্প ও মিগেল ২৫০-২৬০, তেলাপিয়া ১৫০, পাঙ্গাশ ১৩০-১৪০, কই মাছ ১৫০-২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

সূত্র : জাগো নিউজ

Comments

Popular posts from this blog

Gove confirms mandatory housebuilding targets for councils will be abolished in face of Tory rebellion – UK politics live

Kotak Mahindra Bank Recruitment 2022 Released for Graduate Candidates And Apply Online